মাসিক চলাকালীন শেক্স করলে কী কী রোগ হতে পারে?
ৃ
### ১. ইনফেকশন এবং প্রদাহের ঝুঁকি
মাসিক চলাকালীন জরায়ুর মুখ (cervix) কিছুটা খোলা থাকে, যা ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের প্রবেশ সহজতর করে। ফলে জরায়ু বা প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন (যেমন ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস) বা পেলভিক ইনফ্লেমেটরি ডিজিজ (PID) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
### ২. যৌনরোগ সংক্রমণের ঝুঁকি
- মাসিকের সময় রক্ত সঞ্চালন বেশি থাকে, যা কিছু যৌনরোগ যেমন এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি, এবং অন্যান্য ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই এই সময়ে সুরক্ষিত যৌনমিলন করা গুরুত্বপূর্ণ।
### ৩. ইস্ট ইনফেকশন
- মাসিকের সময় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে যোনির ব্যাকটেরিয়া ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে, যা ইস্ট ইনফেকশনের (ইস্টের বৃদ্ধি) ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
### ৪. ইউটিআই (Urinary Tract Infection)
- মাসিকের সময়ে প্রস্রাবনালীতে জীবাণুর প্রবেশের ঝুঁকি থাকে, যা প্রস্রাবনালীর সংক্রমণ (UTI) ঘটাতে পারে। মাসিক চলাকালীন শরীরের পরিচ্ছন্নতা বজায় না রাখলে এই ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
### প্রতিরোধের উপায়:
সুরক্ষিত যৌনমিলন: কনডম ব্যবহার করা সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক।
পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: মিলনের আগে ও পরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।
সঙ্গীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা: সঙ্গীর স্বাস্থ্যগত অবস্থা জানাও গুরুত্বপূর্ণ।
তবে মনে রাখা প্রয়োজন, মাসিক চলাকালীন যৌনমিলন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দ এবং এর কিছু সুবিধাও রয়েছে, যেমন কিছু নারীদের ক্ষেত্রে এটি মাসিকের ব্যথা বা ক্র্যাম্প কমাতে সহায়ক হতে পারে।
Post a Comment