Join Our x.com account! আমার এপেন্ডিসাইটিস ব্লাস্ট করেছিল, এর এরপর ইনফেকশন হয়েছিলো। তারপর আবার ৫-৬ দিন ব্যন্ডেজ করে আবার সেলাই দেওয়া হয়েছিল। অপারেশনের আজকে ৩ বছর। সেলায়ের মাঝামাঝি এক যায়গায় একটু সাদা হয়ে আছে অনেকদিন। অন্যসব সেলাই নরমাল আর ২টা সাদা। এই সাদা দাগ কি ঠিক হবে?

আমার এপেন্ডিসাইটিস ব্লাস্ট করেছিল, এর এরপর ইনফেকশন হয়েছিলো। তারপর আবার ৫-৬ দিন ব্যন্ডেজ করে আবার সেলাই দেওয়া হয়েছিল। অপারেশনের আজকে ৩ বছর। সেলায়ের মাঝামাঝি এক যায়গায় একটু সাদা হয়ে আছে অনেকদিন। অন্যসব সেলাই নরমাল আর ২টা সাদা। এই সাদা দাগ কি ঠিক হবে?

আমার এপেন্ডিসাইটিস ব্লাস্ট করেছিল, এর এরপর ইনফেকশন হয়েছিলো। তারপর আবার ৫-৬ দিন ব্যন্ডেজ করে আবার সেলাই দেওয়া হয়েছিল। অপারেশনের আজকে ৩ বছর। সেলায়ের মাঝামাঝি এক যায়গায় একটু সাদা হয়ে আছে অনেকদিন। অন্যসব সেলাই নরমাল আর ২টা সাদা। এই সাদা দাগ কি ঠিক হবে?

অপারেশনের পর সেলাইয়ের স্থানে সাদা দাগ থাকা এবং সেই দাগের টিস্যুর ভিন্নতা একটি সাধারণ ব্যাপার। সাধারণত এমন দাগগুলো টিস্যুর রঙ ও গঠনের পরিবর্তনের কারণে হয়। 


### কেন এই সাদা দাগ হয়?

১. টিস্যু পরিবর্তন: অপারেশনের পর যখানে সেলাই দেওয়া হয়েছিল সেখানে ত্বকের গভীরে টিস্যুর পরিবর্তন হয়, যাকে "স্কার টিস্যু" বলা হয়। স্কার টিস্যু সাধারণ ত্বকের মতো নমনীয় নয় এবং এতে কম রক্ত সঞ্চালিত হয়, ফলে দাগটি সাদা বা হালকা রঙের হয়।


২. ইনফেকশন: ইনফেকশনের কারণে সেখানে আরও গভীরভাবে স্কার টিস্যু তৈরি হয়, যা আরও পুরু এবং সাদা হতে পারে। ত্বকের সংক্রমণ হলে এটি ক্ষত স্থানে আরও বেশি টিস্যু তৈরি করতে প্রভাব ফেলে।


৩. বারবার সেলাই: আপনার ক্ষেত্রে পুনরায় সেলাই দেওয়ার প্রয়োজন হয়েছিল, যা সাধারণত দাগের প্রকৃতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিটি সেলাইয়ের জায়গা টিস্যুর ভিন্নতা তৈরি করতে পারে।

### এই দাগ কী ঠিক হবে?

সাধারণভাবে, বেশিরভাগ স্কার বা দাগ সময়ের সাথে হালকা হয়ে যেতে পারে, তবে তিন বছর পরও যদি দাগ স্পষ্ট থাকে, তবে এটি সম্ভবত স্থায়ী। তবে কিছু চিকিৎসা ও পদ্ধতি আছে যা দাগ কিছুটা হালকা করতে সহায়ক হতে পারে। যেমন:


ক্রিম ও মলম: বিভিন্ন স্কার হালকা করার ক্রিম ও জেল রয়েছে (যেমন সিলিকন জেল), যা নিয়মিত ব্যবহারে দাগের রঙ কিছুটা হালকা করতে পারে।

  

লেজার থেরাপি: এই পদ্ধতিতে বিশেষ লেজার আলো ব্যবহার করে স্কার টিস্যুর উপর কাজ করা হয়, যা দাগের টিস্যুকে ধীরে ধীরে হালকা করে। তবে এটি বেশ ব্যয়বহুল হতে পারে।

মাইক্রোনিডলিং ও ডার্মাব্রেশন: এগুলো স্কার টিস্যুর উপর নির্দিষ্ট চাপে ছোট সূচ বা ব্রাশিং পদ্ধতি প্রয়োগ করে ত্বকের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া উদ্দীপিত করে। এতে দাগের গভীরতা ও রঙ কিছুটা কমতে পারে।


### চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন

যেহেতু আপনার ক্ষেত্রে তিন বছর পরও দাগ রয়ে গেছে এবং এটি শক্ত বা সাদা হতে পারে, তাই একজন ডার্মাটোলজিস্ট বা স্কার টিস্যু বিশেষজ্ঞকে দেখানো উচিত। তারা পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে পারবেন দাগটি স্থায়ী কিনা এবং কীভাবে এটিকে আরো উন্নত করা যায়।

### বাড়তি যত্নের টিপস:

- ত্বক নিয়মিত ময়েশ্চারাইজ করুন, যাতে স্কার টিস্যু আরও মসৃণ থাকে।

- সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি (UV) থেকে দাগযুক্ত অংশ রক্ষা করুন। সূর্যের আলোয় স্কার টিস্যুর রঙ আরো গাঢ় হতে পারে।


এই সব পদ্ধতি অনুসরণ করে দাগের পরিবর্তন দেখতে পারেন, তবে নিশ্চিত ফলাফল পেতে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করাই সবচেয়ে ভালো।

Post a Comment

Previous Post Next Post

Smartwatchs